1 Answers
'ক' চিহ্নিত আইনের শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানার কথা বলা হয়েছে। এ আইনটি করার উদ্দেশ্য হলো নারী অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা এবং নারীর ক্ষমতায়ন। এসব বিষয় পর্যবেক্ষণ করে বলা যায় 'ক' আইনটি হলো মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১১-এর প্রতিচিত্র। কেননা, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১১-তে মানব পাচারের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডসহ পাঁচ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো প্রতিবছর বাংলাদেশে থেকেও প্রচুর নারী ও শিশু পাচার হচ্ছে। পাচারকৃত এসব নারী ও শিশুরা নানাভাবে সহিংসতার শিকার হচ্ছে। এদেরকে বলপ্রয়োগ করে, 'ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিভিন্ন অবমাননাকর, অমানবিক, অনৈতিক ও অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করা হয়। যেমন- যৌনবৃত্তি, উটের জকি, মাদক পাচার ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রয় ইত্যাদি। অধিক উপার্জন করার লোভ দেখিয়ে বা উন্নত জীবনের লোভ দেখিয়ে নারীদেরকে পাচার করা হয়। পাচারকারী চক্র শিশুদেরকে বিভিন্নভাবে ভুলিয়ে বা প্রলুব্ধ করে তাদেরকে ধরে নিয়ে যায়। এসব পাচারকারীর জন্যই উদ্দীপকের 'ক' নির্দেশিত আইন প্রয়োগযোগ্য। এছাড়া নারীদের সচেতন করতে পারলে এবং ক্ষমতায়ন করতে পারলে এটা প্রতিরোধ করা সহজ হবে।