1 Answers

হ্যাঁ, শ্রেণিশিক্ষকের বক্তব্য আমি সমর্থন করি।

সড়ক দুর্ঘটনার প্রভাব ব্যাপক। এ দুর্ঘটনার প্রভাব পারিবারিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক জীবনে খুবই মারাত্মক, যা আবার বহু সমস্যার জন্মদাতাও। এ বাস্তবতা উপলব্ধিপূর্বক উদ্দীপকে উল্লিখিত শ্রেণিশিক্ষকের বক্তব্যকে সমর্থন করে আমাদের প্রত্যেকেরই নিজ নিজ অবস্থান থেকে কতিপয় করণীয় কাজ করা উচিত। যেমন- ফুটপাত দিয়ে চলাচল করা, দৌড়ে রাস্তা পার না হওয়া, চলন্ত গাড়িতে ওঠানামা না করা, চলন্ত অবস্থায় গাড়ি চালকের সঙ্গে কথা না বলা এবং জেব্রাক্রসিং, ওভার ব্রিজ ও মাটির নিচের সংযোগ পথ দিয়ে রাস্তা পারাপার হওয়া। শিশু-কিশোরদের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে তাদের মহাসড়ক, সংযোগ সড়ক ও আধাপাকা সড়ক সম্পর্কে পরিচিত করানো। তাছাড়া চলাচলের জেব্রাক্রসিং, পারাপার সেতু, ট্রাফিক পুলিশ, ফুটপাত, ট্রাফিক বাতি ও চিহ্নাবলি, বিপজ্জনক স্থান প্রভৃতি সম্পর্কে পরিচিত করানো। ছোট ভাই-বোনদেরকে নিরাপদ চলাচল বিষয়ে আমরা সচেতন করব। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও প্রবীণদের নিরাপদ চলাচলে সহযোগিতা করা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। সড়ক দুর্ঘটনার শিকার এমন পরিবারের প্রতি আমাদের সহানুভূতিশীল হওয়া উচিত এবং সাহায্য ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া কর্তব্য।

পরিশেষে বলা যায়, সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করতে পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি উপরিউক্ত কাজগুলো যদি আমরা নিজেরা করি তাহলেই কেবল আমরা দুর্ঘটনা এড়িয়ে নিরাপদে চলতে পারব বলে আমি মনে করি।

5 views

Related Questions