1 Answers
উদ্দীপকে ঘটনা-২ দ্বারা দুর্নীতি নামক সামাজিক সমস্যাকে নির্দেশ করে।
ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক অবৈধ পন্থায় নীতি-বহির্ভূত বা জনস্বার্থবিরোধী কাজই দুর্নীতি। রাজনৈতিক এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রশাসনে দুর্নীতি বলতে ব্যক্তিগত স্বার্থ বা লাভের জন্য কার্যালয়ের দায়িত্বের অপব্যবহারকে বুঝায়। সাধারণত ঘুষ, স্বজনপ্রীতি, বলপ্রয়োগ বা ভয় প্রদর্শন, প্রভাব খাটানো এবং ব্যক্তি বিশেষকে বিশেষ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে প্রশাসনের ক্ষমতা অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত' স্বার্থ অর্জনকে দুর্নীতি বলে। অবৈধ সুযোগ-সুবিধা লাভের জন্য কোনো ব্যক্তির সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনে ইচ্ছাকৃত অবহেলাও দুর্নীতি। দুর্নীতির সাথে যুক্ত থাকে পেশা, ক্ষমতা, পদবি, স্বার্থ, নগদ অর্থ, বস্তুসামগ্রী প্রভৃতি। দুর্নীতির মাধ্যমে কাউকে না কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়। এ অপরাধের প্রকৃতি ও কলাকৌশল আলাদা। এ কাজে দৈহিক শ্রমের চেয়ে ধূর্ত বুদ্ধির প্রয়োজন বেশি। উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ তেমনটিই লক্ষণীয়। অসৎ বুদ্ধি প্রয়োগে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে অবৈধভাবে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নেয় কিছু অসাধু বিক্রেতা। এটি স্পষ্টত দুর্নীতির পর্যায়ভুক্ত।