1 Answers
হ্যাঁ, হামিদের কাজে সামাজিক পরিবর্তনের প্রযুক্তি নামক উপাদানটি প্রতিফলিত হয়েছে। এবং প্রযুক্তি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পথকে প্রশস্ত করেছে- আমি এ বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত।
প্রযুক্তি হলো বিজ্ঞানের প্রায়োগিক দিক। প্রযুক্তির প্রচলন ও প্রসারের মাধ্যমে সমাজ ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিবর্গের মানসিক গঠন এবং সামাজিক কাঠামোর পরিবর্তন সাধিত হয়। প্রযুক্তির ফলে সামাজিক যোগাযোগ পরিধির বিস্তৃতি ঘটে এবং কৃষি, শিল্প ও সামাজিক জীবনের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটায় ফলে তা আর্থসামাজিক উন্নয়নকে গতিশীলতা দান করে। কৃষিক্ষেত্রে প্রযুক্তির কল্যাণে উন্নত জাতের বীজ, সেচ, সার প্রয়োগের ফলে কৃষি উৎপাদন বহুগুণে বেড়ে গেছে। তাছাড়া মৎস্য চাষে নতুন নতুন পদ্ধতির প্রয়োগ ঘটানো হচ্ছে। প্রযুক্তির ফলে সমন্বিত মাছ চাষ, গবাদি পশু প্রজনন, গরু মোটাতাজাকরণ প্রভৃতি সম্ভব হচ্ছে। যা আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখে। উদ্দীপকের হামিদ যুব উন্নয়নে প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসল ও মাছ চাষ এবং গরু পালন করে। সে গরু মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি অনুসরণ করে এবং মাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য প্রক্রিয়াজাত মাছের খাবার ব্যবহার করে। অর্থাৎ সে প্রযুক্তির ব্যবহার করে সফল হয়েছে। এভাবেই প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে হামিদের মতো অন্যান্য ব্যক্তিও সফলতা লাভ করতে সক্ষম। যা বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখে।
সুতরাং বলা যায়, প্রযুক্তি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রযুক্তি উপাদানটির গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব প্রতিফলিত হয়েছে।