1 Answers

হ্যাঁ, প্রশ্নের উক্তিটির সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। 

টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু এ লক্ষ্য অর্জনের পথে বাংলাদেশকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অংশগ্রহণ ব্যতীত এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হয় না। উদ্দীপকে দেখা যায়, পলিথিনের ক্ষতিকর দিক বিবেচনা করে ২০০২ সালে আইন করে এর ব্যবহারকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু জনসচেতনতার অভাবে বর্তমানে এর ব্যবহার আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের পথে অন্তরায়। কেননা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অংশীদারিত্ব। এ লক্ষ্য অর্জনে কেবল সরকার নয় বরং সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন। প্রত্যেকের সচেতনতা না থাকলে টেকসই উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা যাবে না। যেমন- পরিবেশ দূষণ বাংলাদেশের জন্য টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের একটি বড় চ্যালেঞ্জ। মনুষ্যসৃষ্ট অসচেতনতামূলক কার্যক্রমের কারণেই। পরিবেশ দূষিত হয়। এক্ষেত্রে যদি পরিবেশ দূষণ রোধে সকলকে সচেতন করা না যায় তবে টেকসই উন্নয়নের পথ বাধাগ্রস্ত হবে। উদ্দীপকে এ বিষয়টিই তুলে ধরা হয়েছে।

পরিশেষে বলা যায়, সকলের অসচেতনতার কারণে পলিথিনের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা পরিবেশের জন্য বিরাট হুমকি। অংশীদারিত্বের অভাব থাকায় এ ধরনের কার্যক্রম এসডিজি অর্জনের পথকে কঠিন করে তুলবে বলেই আমি মনে করি।

5 views

Related Questions