1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত পদ্ধতিটি হলো সিদ্ধান্ত গ্রহণ। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধারাবাহিক পর্যায়গুলো হলো-
সমস্যার স্বরূপ উপলব্ধি: সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রথম পর্যায়ে যে সমস্যা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে তার প্রকৃতি নির্ণয় করা হয়।
সমস্যা সমাধানের বিকল্প অনুসন্ধান: এ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ এবং সমস্যা সমাধানের সম্ভাব্য পন্থাগুলো অনুসন্ধান করা হয়। যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য অনেক বিকল্প পন্থা থাকতে পারে।
বিকল্পসমূহ সম্পর্কে চিন্তা: এ পর্যায়ে সমস্যা সমাধানের বিকল্প পন্থাগুলো বিশদভাবে মূল্যায়ন করা হয়। প্রত্যেকটি বিকল্পের ফলাফল, সুবিধা-অসুবিধা সম্পর্কে চিন্তাভাবনা করে দেখতে হয়।
একটি সমাধান গ্রহণ: এ পর্যায়ে অনেকগুলো বিকল্প পন্থার মধ্য হতে একটি পন্থা বেছে নেওয়া হয়। এ স্তরটি মানুষের সমস্ত জীবনধারাকে প্রভাবিত করে।
গৃহীত সিদ্ধান্তের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ: যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় তার ফলাফল জেনে দায়িত্ব গ্রহণ করাই হলো সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বশেষ পর্যায়। গৃহীত সিদ্ধান্তটির দায়িত্ব গ্রহণ করে তা বাস্তবায়িত করতে হয়। উল্লিখিত পর্যায়গুলো অনুসরণের মাধ্যমেই যেকোনো সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।