1 Answers

রজনি সরকারি আয়ের যেসব উৎস সম্পর্কে জানার চেষ্টা করে সেগুলো কর বহির্ভূত রাজস্বের উৎস। এগুলো হলো-

১. লভ্যাংশ ও মুনাফা : সরকার তার মালিকানাধীন বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন- ব্যাংক, বিমা কোম্পানি এবং অ-আর্থিক প্রতিষ্ঠান (যেমন- রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান, পার্ক, চিড়িয়াখানা) থেকে বছরান্তে লভ্যাংশ ও মুনাফা পেয়ে থাকে।

২. সুদ: সরকার সরকারি কর্মচারী, বিভিন্ন আর্থিক ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানকে ঋণ প্রদান করে। প্রদত্ত ঋণের সুদ হিসেবে সরকার প্রতিবছর কিছু অর্থ আয় করে থাকে।

৩. প্রশাসনিক ফি: সরকার জনগণকে প্রশাসনিক সেবা প্রদানের জন্য বিভিন্ন প্রকার ফি আদায় করে থাকে। যেমন- কোর্ট ফি।

৪. জরিমানা, দন্ড ও বাজেয়াপ্তকরণ: দেশের আইন ও নিয়মনীতি - পরিপন্থী বিভিন্ন কাজের জন্য সরকার জরিমানা, দণ্ড ও বাজেয়াপ্তকরণ করে প্রতিবছর কিছু অর্থ আয় করে থাকে।

৫. অর্থনৈতিক সেবা: সরকার তার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দ্বারা জনগণকে সেবা প্রদান করে থাকে। এ সেবাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আমদানি-রপ্তানি আইনের আওতায় প্রাপ্ত ফি, বাণিজ্য সংস্থা ও কোম্পানিসমূহ হতে প্রাপ্ত রেজিস্ট্রেশন ফি ইত্যাদি।

৬. ভাড়া ও ইজারা : সরকারি বিভিন্ন সম্পত্তি ভাড়া ও ইজারা দেওয়ার মাধ্যমে সরকার প্রতিবছর অনেক অর্থ আয় করে থাকে। যেমন- হাট, ঘাট।

৭. টোল ও লেভি : বিভিন্ন সেতু থেকে টোল ও লেভি আদায় বাবদ সরকার কিছু অর্থ আয় করে থাকে। যেমন- সেতুর জন্য টোল আদায়।

এগুলো ছাড়াও অবাণিজ্যিক বিক্রয়, রেলওয়ে ও ডাক বিভাগ এগুলোও সরকারের কর বহির্ভূত রাজস্বের উৎস।

5 views

Related Questions