1 Answers

লোডশেডিং

লোডশেডিং বলতে এমন একটি পরিস্থিতি বোঝায়, যেখানে একটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ইচ্ছাকৃত বা জোরপূর্বক হ্রাস করা হয়। এটি ঘটে যখন উচ্চ চাহিদা, কম উৎপাদন বা সরঞ্জামের ব্যর্থতার মতো বিভিন্ন কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতি হয়। পুরো গ্রিডের সম্পূর্ণ ব্লাকআউট এড়াতে পাওয়ার কোম্পানিগুলো দ্বারা সাধারণত শেষ অবলম্বন হিসেবে লোডশেডিং করা হয়। লোডশেডিং এর সময়কাল এবং ফ্রিকোয়েন্সি পরিস্থিতির তীব্রতার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। লোডশেডিং এর সময়, নির্দিষ্ট এলাকা বা আশেপাশের এলাকায় একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিদ্যুৎ বিভ্রাট হতে পারে, যা কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে। লোডশেডিং মানুষের দৈনন্দিন জীবনে, বিশেষ করে তাদের কাজ, শিক্ষা এবং গৃহস্থালির কাজে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। বিদ্যুতের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে এমন শিল্প ও ব্যবসার জন্যও এর মারাত্মক পরিণতি হতে পারে। লোডশেডিং এর প্রভাব কমানোর জন্য শক্তির বিকল্প উৎস যেমন জেনারেটর, সোলার প্যানেল বা ব্যাকআপ ব্যাটারি থাকা জরুরি। অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এবং লাইট বন্ধ করে এবং শক্তি সাশ্রয়ী ডিভাইস ব্যবহার করে দক্ষতার সাথে বিদ্যুৎ ব্যবহার করাও অপরিহার্য।

4 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views