1 Answers

জনাব আবু সাঈদ রমজান মাসে তারাবির সালাত আদায় করতে গিয়ে সুন্দর তিলাওয়াত শুনে তার ছেলে জুনায়েদকে একজন আদর্শ আলেম ও হাফিজে কুরআন হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন। এর দ্বারা আমরা ধারণা করতে পারি যে, জনাব আবু সাঈদ সুললিত কণ্ঠে  কুরআন তিলাওয়াত শুনে উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়ে প্রভাবিত হয়েছেন। নবি কারিম (স.) বলেন, “যে ব্যক্তি সুললিত কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত করে না, সে আমার নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়।”

আমরা জানি, কুরআন মজিদ তিলাওয়াত ব্যক্তির হৃদয় প্রশান্ত করে। যতবার পড়া হোক প্রতিবারই এর পাঠ ব্যক্তিকে নতুন চেতনায়, কল্যাণচিন্তায় উদ্দীপ্ত করে। এছাড়া আল-কুরআন ছন্দ ও গদ্যের বিপুল সমারোহে পরিপূর্ণ। এর শব্দচয়ন ও বাক্যবিন্যাস যেমন নিখুঁত, তেমনি এর ভাষা স্বচ্ছ ও সরল, ভাবগম্ভীর ও প্রভাবশালী, সুর সুমধুর ও অপূর্ব ব্যঞ্জনাময়। বস্তুত এ মহাগ্রন্থ ভাষা লালিত্যের, ছন্দ ও অলঙ্কারের শ্রেষ্ঠত্বে এবং বাচনভঙ্গির চমৎকারিত্বে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। বিশ্বের অগণিত জ্ঞানী-গুণী ও প্রতিভাসম্পন্ন ব্যক্তিবর্গ আল-কুরআনের ভাষা ও ভাব, অলঙ্কার ও উপমা, ছন্দে ও রচনাশৈলিতে গভীরভাবে অভিভূত হয়ে এর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন। অতএব আমরা বলতে পারি যে, জনাব আবু সাঈদ সুললিত কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াতে মুগ্ধ ও প্রভাবিত হয়েছেন।

4 views

Related Questions