1 Answers

নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণে এবং নারীর অধিকার সংরক্ষণের জন্য জাতিসংঘ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সনদ ও আইন প্রণয়ন করে। নিচে এগুলো তুলে ধরা হলো-

  • ১৯৪৯ : নারী পাচার দমন ও পতিতাবৃত্তি অবসানের জন্য জাতিসংঘ সনদ অনুমোদন।
  • ১৯৫১ : ILO কর্তৃক একই ধরনের কাজের জন্য নারী পুরুষের সমান মজুরি প্রদানের উদ্যোগ। 
  • ১৯৬০: নারীদের কর্মসংস্থান ও পেশার ক্ষেত্রে বৈষম্য বিলোপ সনদ অনুমোদন। 
  • ১৯৬২: বিয়ের ন্যূনতম বয়স ও রেজিস্ট্রেশন সনদ অনুমোদন। 
  • ১৯৭৫: নারীবর্ষ ঘোষণা। 
  • ১৯৭৯ : নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সাধন সিডও (CEDAW) নামে অভিহিত। ১৯৮১ সালে এ সনদ কার্যকর হয়। 
  • ১৯৯২ : রিও ডি জেনেরিওতে পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলনে পরিবেশ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় নারীর ভূমিকার স্বীকৃতি।
  • ১৯৯৩ : অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা সম্মেলনে নারীর অধিকারকে মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দান।
  • ১৯৯৫ : বেইজিং-এ চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলনের ঘোষণা ছিল নারীর চোখে বিশ্ব দেখুন।

উপরিল্লিখিত আলোচনার মাধ্যমে বলতে পারি, নারীদের কল্যাণে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রটোকল, সেমিনার ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে জাতিসংঘ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

5 views

Related Questions