1 Answers
হ্যাঁ আমিও মনে করি, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় উক্ত সংগঠন অর্থাৎ রাজনৈতিক দলের বিকল্প নেই।
গণতন্ত্র হলো আধুনিককালের সবচেয়ে বেশি প্রচলিত শাসনব্যবস্থা। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় আধুনিককালে জনগণের প্রতিনিধিরা দেশ শাসন করে অর্থাৎ আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা হলো পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থা। আর এরূপ প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দলীয় শাসনব্যবস্থাও বলা হয়। কেননা এখানে রাজনৈতিক দলসমূহ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার মাধ্যমে সরকার গঠন করে। পরাজিত দল বিরোধী দল হিসেবে সংসদ এবং সংসদের বাইরে সরকারের সমালোচনা করে। পরবর্তী নির্বাচনে সরকারের ব্যর্থতা উল্লেখ করে নিজেদের ইশতেহারের মাধ্যমে জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে। অর্থাৎ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলসমূহ একদিকে সরকার, অন্যদিকে বিরোধী দল। আবার ক্ষমতার পটপরিবর্তনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলের হাতেও ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটে। অর্থাৎ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার আদ্যোপান্ত পরিচালিত হয় দলীয় ব্যবস্থায়। সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার ভয়ে বা চাপে অগণতান্ত্রিক কাজ করতে পারে না। এজন্য সুষ্ঠু সরকারব্যবস্থা ও জবাবদিহিতা বজায় থাকে। আর এই উপলব্ধি থেকেই উদ্দীপকে মি. কামাল এবং তার অনুসারীরা রাজনৈতিক দল গঠন করতে ইচ্ছুক।
তাই বলা হয়, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক দলের কোনো বিকল্প নেই।