1 Answers

হ্যাঁ, রুবেল তার কর্মকান্ডের জন্য যে শাস্তি পেয়েছে ১৯৭২ সালে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী রুবেল একই শাস্তি পেত।

উদ্দীপকের রুবেলের কর্মকাণ্ডে লক্ষ করা যায়, তিনি নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী নির্বাচনি অপরাধ ও তার দণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। সংক্ষেপে অপরাধসমূহ ও তার দণ্ডগুলো হলো- ১. নির্ধারিত নির্বাচনি ব্যয়ের বিধান লঙ্ঘন করা। ২. ঘুষ গ্রহণ করা। ৩. জাল ভোট দেওয়া বা ছদ্মনামে ভোট দেওয়া। ৪. নির্বাচনে অসংগত প্রভাব খাটানো, জোরজবরদস্তি করে ভোট আদায় করা বা ভোটদানে বাধা সৃষ্টি করা। ৫. প্রার্থী বা তার আত্মীয়স্বজনের চরিত্র সম্পর্কে মিথ্যা বলা। ৬. কোনো প্রার্থীর প্রতীক সম্পর্কে মিথ্যা বলা। ৭. কোনো প্রার্থীতা প্রত্যাহার সম্পর্কে মিথ্যা বলা। ৮. জাতি, ধর্ম, বর্ণ ইত্যাদি কারণে কোনো প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে ভোটদান সম্পর্কে বলা। ৯. ভোটকেন্দ্রের কোনো ভোটারকে ভোট না দিয়ে যেতে বাধ্য করা। ১০. বেআইনি আচরণ করা এবং ১১. সভা ও মিছিলের ওপর আরোপিত নিষেধ লঙ্ঘন দুর্নীতিমূলক অপরাধ। এছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্স নষ্ট করা, কেন্দ্র হতে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া, ব্যালট পেপার বা সরকারি মার্কা জাল করা, ভোট কেন্দ্র দখল এবং ভোট প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করাও গুরুতর নির্বাচনি অপরাধ। উপরিউক্ত যেকোনো অপরাধের জন্য জরিমানাসহ ক্ষেত্র বিশেষে ১০ বছর এবং কমপক্ষে ২ বছর সশ্রম কারাদন্ড হতে পারে। এ সকল নির্বাচনসংক্রান্ত অপরাধের জন্য উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের করা যায়। তবে নির্বাচন কমিশনের লিখিত অনুমোদন ব্যতীত নির্বাচনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে না।

4 views

Related Questions