1 Answers
উদ্দীপকের অনিকেত রামায়ণের তরণীসেন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে। তৃরণীসেন ছিলেন রাবণের ভাই বিভীষণের পুত্র। তিনি সৎসাহসের এক উজ্জ্বল প্রতিমূর্তি। রাম-লক্ষ্মণের সাথে রাক্ষস বাহিনীর যুদ্ধে রাক্ষস বাহিনীর বড় বড় বীর যোদ্ধা প্রাণত্যাগ করে। সোনার লঙ্কা পরিণত হয় শ্মশানে। রাক্ষস বাহিনীর পরাজয়ের পর দেশকে রক্ষার জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে এগিয়ে যান তরণীসেন। এ যুদ্ধে রামের বৈষ্ণব অস্ত্রে তরণীসেন মৃত্যুবরণ করেন। বস্তুত এভাবেই সৎসাহসের অধিকারী ব্যক্তি নিজের জীবনের ঝুঁকি আছে জেনেও দেশের মঙ্গলের জন্য প্রতিবাদ করেন। দেশ ও জাতির ক্লান্তিকালে দেশের সঙ্কট দূর করতে সৎসাহসী ব্যক্তিগণ অগ্রণী ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সম্প্রতি গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানা ধসে বহু মানুষ হতাহত হয়েছে। ভেতরে অনেক পোশাককর্মী আটকা পড়ে। অনিকেত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেককে উদ্ধার করেন। কিন্তু একপর্যায়ে ক্লান্ত অনিকেত নিজে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান। তার এ আত্মত্যাগ সকলে শ্রদ্ধাভারে স্মরণ করবে। এখানে অনিকেতের মাধ্যমে সৎসাহসী তরণীসেনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। অনিকেত ও তরণীসেন উভয়ে মানুষের কল্যাণে আত্মত্যাগ করেছেন।
সুতরাং আমরা বলতে পারি, অনিকেত রামায়ণের তরণীসেনের প্রতিনিধিত্ব করেন।