1 Answers

হ্যাঁ, আমিও মিনার মার এ কথার সাথে একমত। কারণ বাংলাদেশে এ ধরনের বনভূমি রয়েছে।

মূলত জলবায়ু ও মাটির ভিন্নতার কারণে এক এক অঞ্চলে এক এক ধরনের বনের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের বন এলাকাকে চার ভাগে, ভাগ করা যায়। আবার, উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যে অনুসারেও বনাঞ্চলের শ্রেণিবিভাগ করা যায়। যথা- ১. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি, ২. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল বনভূমি এবং ৩. স্রোতজ (ম্যানগ্রোভ) বা গরান বনভূমি। আমাদের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব অংশের পাহাড়ি অঞ্চলকে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি এলাকা নামে অভিহিত করা হয়। মূলত উষ্ণ ও আর্দ্র সমভূমিতে কিছু এলাকা জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, তরুলতা, ঝোঁপঝাড়, গুল্ম জন্ম নেয়। এসব গাছের পাতা একত্রে ফোটেও না, ঝরেও না। ফলে সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে। সে কারণেই এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলে। চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও সিলেট এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এ বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৪ হাজার বর্গকিলোমিটার। চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন এ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছ। সিলেটের পাহাড়ে প্রচুর বাঁশ ও বেত জন্মে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে রবার চাষও হচ্ছে। সুতরাং উল্লিখিত আলোচনা থেকে এটা প্রমাণিত হয় যে, এদেশে পত্রপতনশীল বনভূমিও রয়েছে।

4 views

Related Questions