1 Answers

উদ্দীপকে পাঠ্যপুস্তকের যে বিষয়টির প্রতিফলন ঘটেছে তা হলো নদীপথের যাতায়াত ব্যবস্থা এবং ব্যবসায় বাণিজ্য।

নদীমাতৃক দেশে যাতায়াত ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নদীগুলোই পালন করছে। যেমন- পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, কর্ণফুলী, সুরমা, কুশিয়ারা, মাতামুহুরী, আত্রাই, মধুমতী, গড়াই ইত্যাদি। নদী যাত্রী পরিবহন সেবায় বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে থাকে। নদীপথকেই সকলে ব্যস্ততম পথ বলে বিবেচনা করে থাকে। এ দেশে নদীপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ৯,৮৩৩ কি.মি.। এর মধ্যে ৩,৮৬৫ কি.মি. বছরের সব সময় নৌ চলাচল করে থাকে। বাংলাদেশে নৌপথে নৌকা, লঞ্চ, ট্রলার, স্টীমার, ইত্যাদি পরিবহনে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছাতে সক্ষম হচ্ছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে দেশের মোট বাণিজ্যিক মালামালের ৭৫% আনা নেওয়া করা হয়। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নদীপথের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে রূপ দেওয়া হতো। বর্তমানে পণ্যবাহী জাহাজের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। দেশের প্রায় সবকটি নদীপথেই সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে লক্ষ লক্ষ টন মালামাল পরিবহন করা হয়ে থাকে। ফলে সকল অস্থিতিশীলতার মধ্যেও নির্বিঘ্নে জাহাজ ও নৌযান যোগে চলাচল করা যায়। উদ্দীপকে যাতায়াতের ক্ষেত্রে এবং ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নৌপথের গুরুত্ব ফুটে উঠেছে।

5 views

Related Questions