1 Answers
পরাশ যে নদীতে নৌকা চালায় সেটি উৎপত্তি হয়েছে সিলেট জেলার দুটি নদীর মিলিতস্থলে। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে এ নদীকে আমরা মেঘনা নদী বলতে পারি।
কারণ মেঘনা নদী সৃষ্টি হয়েছে সিলেট জেলার সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিতস্থলে। সুরমা ও কুশিয়ারার উৎপত্তি আসামের বরফ নদী নাগা- মনিপুর অঞ্চলে। কুশিয়ারা ও সুরমা নদী বাংলাদেশের সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে। সুনামগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জের কাছে কালনী নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। এটি ভৈরব বাজার অতিক্রম করে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের কাছে বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যার মিলিত জলধারাই মেঘনায় এসে যুক্ত হয়েছে। সেখান থেকে চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে বিস্তৃত মোহনার সৃষ্টি করেছে। এটি পতিত হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। মুন, তিতাস, গোমতী, বাউলাই, মেঘনার শাখানদী। বর্ষার প্লাবন ও পলিমাটিতে মেঘনা বাংলাদেশের উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
উদ্দীপকের বর্ণনায় এবং পাঠ্যপুস্তকের আলোকে এটা বলা যায় যে, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীতে পরাশের নৌকা চালানোর নদীটির সৃষ্টি হয়েছে।