1 Answers

সামিয়ার দেখা এ নদীটি হলো ব্রহ্মপুত্র যা পরবর্তীতে যমুনা নামধারণ করে।

উদ্দীপকের সামিয়া ময়মনসিংহ বেড়াতে গিয়ে যে নদীটি দেখে সেটি তিব্বতের মানস সরোবরে উৎপত্তি লাভ করে। পরবর্তীতে গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে অন্য একটি নামধারণ করে। পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি এবং তার গতিপথের সাথে মিলে যায়।

তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়েছে। আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। ১৭৮৭ সালের আগে ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর- পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্বদিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো। কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার শাখানদীর সৃষ্টি হয়। নতুন স্রোতধারাটি যমুনা নামে পরিচিত হয়। এটি দক্ষিণে গোয়ালন্দ পর্যন্ত যমুনা নদী বলে পরিচিত। গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মা নামধারণ করেছে। যমুনার শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা, ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই যমুনার উপনদী। গঙ্গার সঙ্গমস্থল পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্রের দৈর্ঘ্য ২৮৯৭ কি.মি. এবং অববাহিকার আয়তন ৫,৮০,১৬০ বর্গ কি.মি.। এর ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি. বাংলাদেশে অবস্থিত।'

পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে সামিয়ার দেখা নদীটি হলো ব্রহ্মপুত্র নদ।

4 views

Related Questions