1 Answers

হ্যাঁ আমিও মনে করি উদ্দীপকে বর্ণিত এ সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অন্তরায়।

উদ্দীপকের রহিম কুষ্টিয়া যাওয়ার পথে ডুবোচরে নৌপথে আটকে পড়ে এবং কুষ্টিয়া গিয়ে দেখে অনেক বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে যা নদীর নাব্যতা হ্রাস ও নদীভাঙনকে নির্দেশ করে।

নদীর তলদেশে পলি জমা এবং উজানে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার দরুন নদীর নাব্যতা হ্রাস পায়। ফলে নদীতে পরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যায় না। একই সাথে নদীতে প্রচুর চর জেগে ওঠে ও কৃষির জন্য প্রয়োজনীয় পানি পাওয়া যায় না। আবার একই চর পড়ার কারণে নদীর পানি ধারণক্ষমতা কমে যায়। ফলে বর্ষাকালে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। একই কারণে নদীর ভাঙন হয়। নদীর ভাঙনের ফলে মূল্যবান কৃষিজমি, গ্রাম, শহর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিল্পকারখানাসহ সবকিছু নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। নদীর নাব্যতা সংকট ও নদীভাঙনের দরুন বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। অসংখ্য লোক বাস্তুভিটা থেকে উৎখাত হয়, নিজ সহায় সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়। এসব মানুষ শহরে এসে বস্তিতে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়। শহরের ওপর চাপ বাড়ে, সামাজিক অবক্ষয় বাড়ে।

পরিশেষে আমি মনে করি, সামগ্রিকভাবে নদীর এরূপ প্রতিকূল প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

4 views

Related Questions