1 Answers
যোগ সাধনায় উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে বিপুল তার বিপথগামী বন্ধুকে সুপথে আনতে পারে।
হিন্দুশাস্ত্রে 'যোগ' মানে মিলন। সংযমপূর্বক সাধনার মাধ্যমে আত্মাকে পরমাত্মার সাথে যুক্ত করে সমাধি লাভকে যোগ বলে। যোগসাধনার সময় সংযম করতে হয় এবং সকল পাপকর্ম ও চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হয়। তাই এর মাধ্যমে মানুষকে সুপথে আনা যায়। বিপথগামী বন্ধুকে সুপথে আনতে যোগসাধনা অপরিসীম ভূমিকা পালন করতে পারে। মহর্ষি যাজ্ঞবন্ধ্য বলেছেন, যোগীরা ইন্দ্রিয়কে মনের মধ্যে সমাহিত করে মনকে অহংকারে, অহংকারকে মহত্ত্ব, মহত্ত্বকে প্রকৃতির রাজ্যে বিলীন করে পরমব্রহ্মের ধ্যানে তন্ময় হয়। সেই পরমব্রহ্মের জ্যোতি তার পাপমুক্ত নিত্য শুদ্ধ হয়ে। হৃদয়ে সর্বদা অনুভূত হয়। জ্যোতি তার চোখেমুখে প্রতিভাত ও উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে। অর্থাৎ, যোগের মাধ্যমে মানুষ খারাপ কাজ পরিহার করে শুদ্ধ মানুষরূপে গড়ে ওঠে। তাই বিপুলও তার বিপথগামী বন্ধুকে যোগ সাধনায় ব্রতী করে সুপথে আনতে পারে।