1 Answers
হ্যাঁ, আমি মন্ত্রোকরি, বৈদ্যুতিক পাখা কোম্পানি যেখানে পাখা রফতানি করতে চায় সেদেশে অর্থাৎ মিয়ানমারে গ্রীষ্মকাল ছাড়াও আরও দুটি ঋতু রয়েছে ।
মিয়ানমারের জলবায়ুতে শীত, গ্রীষ্ম এবং বর্ষা এ তিনটি আলাদা ঋতুর উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। মে থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত মিয়ানমারে বর্ষাকাল। এ সময়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এ অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে রেঙ্গুনে বৃষ্টিপাত শুরু হয় এবং মাসের শেষদিকে এটি সারা দেশে বিস্তার লাভ করে এবং অক্টোবর মাস পর্যন্ত এ বৃষ্টিপাতের পরিমাণে ব্যাপক পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। আরাকান ও টেনাসেরিম উপকূলে প্রচুর পরিমাণ দক্ষিণ-পশ্চিমে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ২০০ সে.মি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে, তখন দেশের সর্ব উত্তরে পাহাড়িয়া অঞ্চলেও মাত্র ৮০ সে.মি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়। অন্যদিকে শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থান করায় উত্তর গোলার্ধে এশিয়ার মধ্যভাগে এক বিরাট উচ্চ চাপের সৃষ্টি হয় এবং সেখান হতে দক্ষিণ-পূর্বদিকের সমুদ্রে অপেক্ষাকৃত অধিক তাপযুক্ত অঞ্চলে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। ফলে উত্তর-পূর্ব আয়ন বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়। উত্তরের এ শীতল বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে মিয়ানমারে তখন বেশ শীত হওয়ার কথা থাকলেও উত্তরাংশে পার্বত্য অঞ্চলের উপস্থিতির কারণে শৈত্য তত প্রকট আকার ধারণ করে না। এ বায়ুপ্রবাহ মার্চ মাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এ সময়ে উত্তর মায়ানমারের উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত হয় এবং তাপমাত্রা হিমাঙ্কের কাছাকাছি চলে যায়।
সুতরাং উদ্দীপকের বর্ণনায় এবং পাঠ্যপুস্তকের আলোকে এটা প্রমাণিত যে, বৈদ্যুতিক পাখা কোম্পানি যেখানে পাখা রফতানি করতে ইচ্ছুক ঐ দেশে অর্থাৎ মিয়ানমারে গ্রীষ্ম ছাড়াও আরও দুটি ঋতু রয়েছে।