1 Answers
কানাডিয়ান প্রবাসীর দেশের সাথে বাংলাদেশের মিল রয়েছে। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে আমরা দেখতে পাই, বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ব-দ্বীপ। বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে গেছে অসংখ্য নদনদী। এগুলোর মধ্যে পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র, শীতলক্ষ্যা, কর্ণফুলী ইত্যাদি প্রধান। বাংলাদেশের ভূখন্ড উত্তর হতে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে অবস্থিত। বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চল এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। এসব ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, কানাডিয়ান প্রবাসী বাংলাদেশের পরিচয় প্রদান করেছেন। এর আলোকে আমরা বাংলাদেশের অবস্থান ও সীমানার পরিচয় প্রদান করতে পারি। এশিয়া মহাদশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান। বাংলাদেশ ২০০-৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬০-৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২০-৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত। বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটকান্তি রেখা (২৩০-৫´) অতিক্রম করেছে। পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি. মি. এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.। বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত। বাংলাদেশের মোট ক্ষেত্রের পরিমাণ ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল।