1 Answers
উদ্দীপকে রঞ্জনের শেষ পরিণতির সাথে সেরিবার পরিণতি সাদৃশ্যপূর্ণ।
সেরিবা ছিল লোভী ফেরিওয়ালা। বুড়ির থালাটা পরখ করে সে বুঝতে পারে সেটি সোনার। কিন্তু তারপরও সে থালাটির দাম সিকি পয়সাও বলেনি। সে বুড়িকে ঠকিয়ে সেটি খুবই সামান্য মূল্যে কিনতে চেয়েছিল। সে বুড়িকে গিয়ে বলে, থালাটার বদলে কিছু না দিলে ভালো দেখায় না। সেজন্যে সেটির বদলে কিছু দিয়ে থালাটি নিতে এলাম। কিন্তু বুড়ি তখন বলে থালাটি একজন সাধু ফেরিওয়ালা হাজার টাকা দিয়ে নিয়ে গেছে। বুড়ির কথা শোনা মাত্রই লোভী সেরিবার মাথা ঘুরে গেল। সে তখন পাগলের মতো লাফালাফি শুরু করল। জিনিসপত্র, টাকা-পয়সা যা ছিল ছুঁড়ে ফেলে দিল। তারপর সে বোধিসত্ত্বকে ধরার জন্য নদী তীরের দিকে ছুটল। নৌকা তখন মাঝ নদীতে চলে গেছে। সে পাগলের মতো চিৎকার করে মাঝিকে নৌকা ফেরানোর জন্য ডাকল। কিন্তু বোধিসত্ত্বের নিষেধ শুনে মাঝি নৌকা ফেরাল না। মাঝি বোধিসত্ত্বকে নিয়ে নদীর অন্য কূলে চলল। লোভী সেরিবা সেই দৃশ্য ও সোনার থালার শোেক সহ্য করতে পারল না। হতাশা ও রাগে তার হৎপিণ্ড বিদীর্ণ হয়ে গেল। রক্তবমি করে সে মারা গেল।
উদ্দীপকের রঞ্জনও ক্রেতাদের কাছে বেশি দামে ফরমালিন দেওয়া ফল বিক্রি করত এবং ওজনে কম দিত। এটা বুঝতে পেরে ক্রেতারা তার কাছ থেকে জিনিস কেনা বন্ধ করে দেয়। ব্যবসায় ক্ষতি সহ্য করতে না পেরে সে আত্মহত্যা করে।
উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সেরিবার সাথে সন্দীপের শেষ পরিণতির মধ্যে সাদৃশ্য রয়েছে।