1 Answers

উদ্দীপক-২ এ যে দেবীর বর্ণনা করা হয়েছে তিনি হলেন মা শীতলা দেবী। শীতলা দেবীর পূজার গুরুত্ব অপরিসীম।

শ্রাবণ মাসের শুক্লা সপ্তমী তিথিতে শীতলা দেবীর পূজা করা হয়। এ পূজায় ঠান্ডা জাতীয় ফলের দরকার হয়। এ দেবীর পূজার মাধ্যমে আমরা স্বাস্থ্যবিধি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সজাগ থাকি।

শীতলা দেবী বসন্ত রোগ থেকে আমাদের মুক্ত করে আমাদের শীতল করেন। এ কারণে তিনি সকলের কাছে সমাদৃত হয়েছেন। দেবী শীতলাকে স্বাস্থ্যবিধি পালন বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দেবী বলা হয়। শীতলা পূজার মাধ্যমে আমরা স্বাস্থ্যবিধি ও পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতন হয়ে থাকি। দেবী শীতলার দুই হাতে রয়েছে পূর্ণকুন্ড ও সম্মার্জনী। কথিত আছে সম্মার্জনীর মাধ্যমে তিনি অমৃতময় শীতল জল ছিটিয়ে রোগ, তাপ, শোক, দূর করে শীতল করেন। আমরাও বসন্তে আক্রান্ত রোগীদের সেবা করে তাদের শীতল করব। শীতলা দেবীর পূজার মধ্য দিয়ে আমরা এ ধরনের সেবামূলক কাজ করার জন্য উদ্বুদ্ধ হই। কখনো কখনো তিন্ি নিমের পাতা বহন করে থাকেন। নিমবৃক্ষ রোগ প্রতিরোধকারী উদ্ভিদ। আমরা বাড়ির আঙ্গিনায় রোগ প্রতিরোধের জন্য নিমগাছ রোপণ করতে পারি।

পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপক-২ এ নির্দেশিত শীতলা দেবীর পূজার গুরুত্ব অপরিসীম।

5 views

Related Questions