1 Answers

অনুচ্ছেদে বর্ণিত গ্রামবাসীরা শীতলা দেবীর পূজার আয়োজন করে। কারণ একমাত্র শীতলা দেবীই বসন্ত ও কলেরা রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে মুক্ত করেন।

গ্রামবাসীরা বসন্ত ও কলেরা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তারা সবাই একত্রিত হয়ে দেবী শীতলার পূজার আয়োজন  করে এবং ভক্তিপূর্ণ মনে বিভিন্ন উপাচারে পুষ্পাঞ্জলি ও প্রণাম মন্ত্রের মধ্য দিয়ে পূজার কাজ সম্পন্ন করে। হিন্দুধর্মের অগাধ বিশ্বাস অনুযায়ী শীতলা দেবীর কৃপায় কলেরা ও বসন্ত রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে মুক্তি লাভ করা যায়। এজন্য সকলে শীতলা দেবীর আরাধনায় মত্ত হয়। সাধারণত শ্রাবণ মাসের শুক্লা সপ্তমী তিথিতে শীতলা দেবীর পূজা করা হয়। পূজামন্দিরের নির্দিষ্ট স্থানে পুরোহিতের মাধ্যমে শীতলা পূজা করা হয়। শীতলা পূজা পদ্ধতিতে পূজার সময় ঠান্ডা জাতীয় ফলের প্রয়োজন হয়। পেঁপে, নারিকেল, তরমুজ, কলা ও অন্যান্য মিষ্টি জাতীয় উপকরণ দেবীর উদ্দেশ্যে সমর্পণ করা হয়। এ পূজায় সকল শ্রেণির ভক্তরা অংশগ্রহণ করে থাকে।

12 views

Related Questions