1 Answers

পূজার্চনার আনুষ্ঠানিক দিকটির সামাজিক গুরুত্ব অপরিসীম।

পূজার্চনার মাধ্যমে সকলের মাঝে সাম্য ও সৌহার্দ্য জাগ্রত হয়। তাছাড়া সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রীতি ও মৈত্রীর বন্ধন অটুট হয়। সমাজের সকল অন্যায়-অত্যাচার দমনের প্রেরণা সৃষ্টি হয়। যার ফলে সমাজে সত্য, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠিত হয়। সৎপথে চলার উৎসাহবোধ জাগ্রত হয় এবং আত্মসচেতনতাবোধ তৈরি হয়। অন্যায়, অবিচার ও সকল প্রকার খারাপ কাজের মধ্যে অসুর এবং ভালো কাজের মধ্যে ঈশ্বর বিরাজ করেন। আমাদের মনে ভালো কাজের প্রবৃত্তি ও মন্দ কাজের প্রবৃত্তি দুই-ই সৃষ্টি হয়। পূজার্চনার মধ্য দিয়ে আমরা অনুভব করতে পারি ভালো ও মন্দের পার্থক্য। পূজার্চনা এক অর্থে নিজের মধ্যকার ভালো কাজের প্রবৃত্তি ও মন্দ কাজের প্রবৃত্তির মধ্যে দ্বন্দ্বের প্রতীক। পূজার্চনায় সকল সম্প্রদায়ের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে সমাজে সম্প্রীতি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়। এজন্য পূজার্চনার আনুষ্ঠানিক দিকটির গুরুত্ব অপরিসীম।

5 views

Related Questions