1 Answers

হিন্দুধর্মের ধর্মীয় নিয়মানুসারে পালিত দশবিধ সংস্কারের মধ্যে বিবাহ শ্রেষ্ঠ। বিয়েই মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় ও পূর্ণময় করে তোলে। বিবাহ একটি পবিত্র কাজ। বাবা-মায়ের  আশীর্বাদ ছাড়া বিবাহিত জীবন সুখের হয় না। তাই মিহির অমৃতার কথামত পালিয়ে বিয়ে করতে চায় নি। বিবাহের সময় অগ্নিকে সাক্ষী রেখে মিহির অমৃতাকে বিবাহ করে। এতে করে তাদের ধর্মীয় বন্ধন সুদৃঢ় হয়। স্ত্রীকে বাদ দিয়ে পুরুষের কোনো ধর্মচর্চাই পূর্ণতা পায় না। স্ত্রী হলেন পুরুষের সহধর্মিণী। স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ধর্মচর্চা করলে, তবেই সে ধর্মচর্চা পূর্ণতা লাভ করে। তাই বলা হয়েছে, পতির পুণ্যে সতীর পুণ্য। অর্থাৎ সতীকে পুণ্যবতী হতে হলে তার পতিকে আগে পুণ্যবতী হতে হবে। ধর্মচর্চায় স্বামী-স্ত্রী একে অপরের পরিপূরক।

পাশাপাশি বিবাহ মানুষের সামাজিক জীবনকে পূর্ণময় করে। মিহির আর অমৃতা মন্ত্র পাঠের সময় বলে-

যদেতং হৃদয়ং তব তদস্তু হৃদয়ং মম।
যদিদং হৃদয়ং মম, তদস্তু হৃদয়ং তব।"

অর্থাৎ তোমার হৃদয় আমার হোক, আমার হৃদয় হোক তোমার। এ মন্ত্রপাঠের মাধ্যমে তারা উভয়ে একে অপরের জীবনযাপনের পরিচর্যা ও ভালোলাগার দায়িত্ব পায়। একটি পরিবারের সাথে অপর পরিবারের সামাজিক সম্পর্ককেও ঘনিষ্ঠ করে তোলে। তাই বলা যায়, বিবাহই মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনকে পূর্ণময় করে তোলে।

5 views

Related Questions