1 Answers
উদ্দীপকে ২য় মুক্তিযোদ্ধার বক্তব্য সম্পূর্ণ যুক্তিযুক্ত বলে আমি মনে করি।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল নেতৃত্ব দেন স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর সারাজীবনের কর্মকাণ্ড, আন্দোলন-সংগ্রাম নির্দেশিত হয়েছে বাঙালি জাতির মুক্তির লক্ষ্যে। তাঁর নামেই আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি। তাঁর বলিষ্ঠ ও আপসহীন নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলেন জাতির পিতা, স্বাধীনতার মহানায়ক ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি। তিনি ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধে সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী ও এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামানের অবদানও ছিল ব্যাপক। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকে বেগবান ও সফল করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান। সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক ও পরিচালক ছিলেন। তাজউদ্দীন আহমদও বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় সফল নেতৃত্ব প্রদান করেন। মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে তার নাম গভীরভাবে যুক্ত। যুদ্ধকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধুর খুবই ঘনিষ্ঠজন হিসেবে তিনি গুরুদায়িত্ব পালন করেন। এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামানও মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন। এছাড়াও স্বাধীনতা অর্জনে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
পরিশেষে তাই আমি মনে করি, উদ্দীপকের ২য় মুক্তিযোদ্ধার বক্তব্য যথার্থ ও শতভাগ যুক্তিযুক্ত হয়েছে।