1 Answers

উদ্দীপকে বর্ণিত 'ম' নামক ভিক্ষুর কর্মকান্ডে অটঠকথাচার্য বুদ্ধদত্তের কথা বলা হয়েছে। বুদ্ধদত্তের মূল পরিচয় তিনি একজন বৌদ্ধভিক্ষু এবং অঠকথা রচয়িতা।

বৃদ্ধদত্ত হলেন অট্ঠকথা রচনাকারীদের মধ্যে বুদ্ধঘোষের সমকালীন অপর কালজয়ী অঠকথাকার। গন্ধবংসে বুদ্ধদত্তকে ভারতের আচার্য হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। তিনি খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতকের শেষ ভাগ হতে খ্রিষ্টীয় পঞ্চম শতকের প্রথম ভাগে জন্মগ্রহণ করে।

উদ্দীপকে বর্ণিত বিদর্শন ভাবনায় পারদর্শী ভিক্ষু 'ম' ধর্মগ্রন্থ রচনায় সুখ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর গ্রন্থগুলো কবিতাকারে রচিত ছিল। তিনি ত্রিপিটকের কঠিন বিষয়গুলো অনুবাদে সফল হন, যা আচার্য বুদ্ধদত্তের কর্মকাণ্ডকে নির্দেশ করে। আচার্য হিসেবে তাঁর খ্যাতি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিল। তিনি সমথ এবং বিদর্শন ভাবনায়ও পারদর্শী ছিলেন। বৌদ্ধধর্ম ও দর্শন চর্চায় পারদর্শী এ মহাপুরুষ কবি হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। অঠকথা রচনাকারীদের মধ্যে কালজয়ী অট্টকথা রচয়িতা হচ্ছেন বুদ্ধদত্ত। পণ্ডিতগণ তাঁর রচিত অঠকথা থেকে প্রচুর উদ্ধৃতি গ্রহণ করতেন। বুদ্ধদত্তের অধিকাংশ গ্রন্থ পদ্যে রচিত। যেমন- বিনয় বিনিচ্ছয় গ্রন্থটি ৩১৮৩টি গাথায়, উত্তর বিনিচ্ছয় গ্রন্থটি ৯৬৯টি গাথায় এবং অভিধম্মাবতার গ্রন্থটি ১৪১৫টি গাথায় রচিত।

5 views

Related Questions