1 Answers

উদ্দীপকে বর্ণিত ভিক্ষুর প্রথম দেশনায় বোধিসত্ত্ব জীবনের পরিচিতির কথা বলা হয়েছে।

যিনি বোধিজ্ঞান লাভের জন্য সাধনা করেন তাঁকে বোধিসত্ত্ব বলে। বোধিসত্ত্ব বুদ্ধ নন। তবে তাঁদের ভাবী বুদ্ধ বা বৃদ্ধাঙ্কর বলা হয়। বৃদ্ধ হওয়ার জন্য তাঁকে বিভিন্ন কুলে অসংখ্যবার জন্ম নিয়ে দশ পারমী পূর্ণ করতে হয়। তাই বোধিসত্ত্বব্রত অনুশীলন একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। করচ্ছের কর্মপ্রচেষ্টার মাধ্যমেই বোধিসত্ত্ব গুণের অধিকারী হওয়া যায়। বোধিসত্ত্বগণ সব সময় সর্বসত্ত্বার কল্যাণ কামনা করেন। তাঁদের কাছে সবাই সমান। তাঁরা প্রয়োজনে নিজের জীবন বিসর্জন দিতে পারেন কিন্তু কখনো সত্য সাধনা থেকে বিচ্যুত হন না। তাঁদের প্রধান লক্ষ্য হলো বুদ্ধত্ব লাভ করা। তাই তাঁরা জন্ম-জন্মান্তরে কঠোর সাধনার মাধ্যমে দশ পারমী পূর্ণতা সাধন করেন। এভাবে জন্ম-জন্মান্তরের কর্মের ধারাবাহিকতায় দশ পারমীর প্রত্যেকটি অনুশীলন করে আত্মশুদ্ধির সাধনায় পরিপূর্ণতা অর্জন করতে হয়।

উদ্দীপকে শ্রদ্ধেয় করুণাবংশ মহাথের প্রথম দেশনায় উক্ত বোধিসত্ত্ব জীবনের পরিচিতির কথাই বলেছেন।

5 views

Related Questions