1 Answers
মেধার কর্মকান্ডের সাথে কুশলকর্ম এবং থেরী ক্ষেমার কর্মের মিল পাওয়া যায়।
'কুশল' শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো যথাক্রমে-নিপুণ, শুভ, পুণ্যধর্ম, সৎ, ধার্মিক, দোষশূন্য, নির্দোষ, প্রশংসনীয়, গুণসম্পন্ন, কল্যাণ, মঙ্গল ইত্যাদি। লোভ, দ্বেষ এবং মোহহীন চেতনা দ্বারা সম্পাদিত কর্মকে কুশলকর্ম বলা হয়। এ ধরনের কাজে কোনো রকম পাপের স্পর্শ থাকে না। দান, শীল ভাবনা, সেবা, পুণ্যদান, ধর্ম শ্রবণ ইত্যাদি কুশলকর্ম। কুশলকর্ম সম্পাদন করতে হলে কুশল চিত্তের দরকার। এভাবে ভালো কাজ করলে ভালো ফল লাভ করা সম্ভব। বৌদ্ধধর্মে কুশলকর্মের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কুশলকর্মের ফল কুশল হয়। পদুমুত্তর বুদ্ধের সময়ে ক্ষেমা হংসবতী নগরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। পেশায় তিনি একজন দাসী। একদিন তিনি ভিক্ষু সুজাতকে তিনটি সুমিষ্ট পিঠা দান করেছিলেন। এই কুশলকর্মের ফলে ক্ষেমা সুকৃতি অর্জনপূর্বক বিপশী বুদ্ধের সময় মনুষ্যলোকে জন্মগ্রহণ করেন। ককুসন্ধ বুদ্ধের সময়ে তিনি ধনবানের গৃহে জন্মগ্রহণ করে সুন্দর এক মনোরম উদ্যান বুদ্ধ প্রমুখ ভিক্ষুসঙ্ঘকে দান করেন। শেষ জন্মে রাজা বিম্বিসারের পত্নী হন।