1 Answers
উদ্দীপকের অজয় বড়ুয়ার সাথে পাঠ্যবইয়ের মহাকশ্যপ স্থবিরের মিল পাওয়া যায়।
অনেক দুর্বিনীত ভিক্ষু বুদ্ধের মহাপরিনির্বাণে খুশি হন। কারণ বুদ্ধের অবর্তমানে তাঁরা যথেচ্ছভাবে জীবনযাপন করতে পারবেন। মহাকশ্যপ স্থবির কুশিনগরে পৌঁছে দুর্বিনীত ভিক্ষুদের অভিপ্রায় শুনে বিস্মিত এবং শঙ্কিত হন। কারণ বুদ্ধ লিখিতভাবে কোনো ধর্মোপদেশ দান করেননি। তাঁর ধর্মোপদেশসমূহ শিষ্যগণ কণ্ঠস্থ করে প্রচার করতেন। মহাকশ্যপ স্থবির এবং অন্য নেতৃস্থানীয় বিনয়ী ভিক্ষুগণ চিন্তা করলেন, বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকলে বা বিভিন্ন জন কর্তৃক কণ্ঠস্থ থাকলে বুদ্ধবাণী কলুষিত ও বিকৃত হতে পারে। বিস্মৃত হয়ে হারিয়ে যেতে পারে। অন্যজনের বাণীও বুদ্ধবাণী হিসেবে প্রচারিত হতে পারে। এরূপ হলে বুদ্ধশাসনের পরিহানি ঘটবে। এসব চিন্তা করে মহাকশ্যপ স্থবির এবং ধর্ম-বিনয়ে শ্রদ্ধাশীল ভিক্ষুগণ বুদ্ধবাণী সংকলের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। তাই প্রথম সঙ্গীতি আহ্বান করা হয়েছিল।
উদ্দীপকের অজয় বড়ুয়া দুর্বিনীতি কিছু ভিক্ষুর অভিপ্রায় শুনে বিস্মিত হন। তিনি এবং নেতৃস্থানীয় কিছু ভিক্ষু বৃদ্ধবাণী সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে এবং প্রথম সঙ্গীতির আহ্বান করেন। যা পাঠ্যবইয়ের মহাকশ্যপ স্থবিরের সাদৃশ্য রয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের অজয় বড়ুয়ার সাথে মহাকশ্যপ স্থবিরের মিল পাওয়া যায়।