1 Answers
'বেদ' গ্রন্থটি পাঠে পলাশের জীবনকে সুন্দর করে তুলেছে।
মোক্ষলাভই জীবনের চরম উদ্দেশ্য। বৈদিক যুগের ধর্মচিন্তা হিন্দুধর্মের চিন্তাজগতে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন এনে দিয়েছে। মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ উদ্দেশ্য হচ্ছে ঈশ্বরলাভ বা মোক্ষলাভ। বৈদিক যুগের জ্ঞান প্রধান ও দার্শনিক চিন্তার পর্যায়ে ঋষিগণ উপলব্ধি করেন, মোক্ষলাভই জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য। আর এ উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য কাম্যকর্ম পরিত্যাগ করতে হবে। মোক্ষলাভের সহায়ক ধর্ম চিন্তায় সন্ন্যাস ধর্মবাদের আবির্ভাব ঘটে। পলাশ বেদ অধ্যয়ন করে বুঝতে পারল যে বৈদিক যুগের প্রার্থনায় দেখা যায় জীবনের সমৃদ্ধি, জীবের প্রতি স্নেহপ্রীতি এবং জগতের শান্তি কামনা। এ প্রার্থনাগুলোর মধ্য দিয়ে এক পরম শক্তি ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা করা হয়েছে। 'একে ঈশ্বরবাদ বলা যায়। এখানে উল্লেখ্য বৈদিক যুগে ধর্মানুষ্ঠানের রূপ ছিল যজ্ঞক্রিয়া। যজ্ঞকর্মের অনুশীলন করে মানুষ অভীষ্ট কর্মফল লাভ করতে পারতেন। যজ্ঞকর্ম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদিত হলে যজ্ঞকারীর অভীষ্ট ফল লাভ হয়। এমনকি স্বর্গপ্রাপ্তিও ঘটে।