1 Answers

আশ্রম জীবনের চতুর্থ পর্যায় হচ্ছে সন্ন্যাস।

দণ্ডগ্রহণমাত্রেণ নরো নারায়ণো ভবেৎ- সন্ন্যাস গ্রহণ করলেই মানুষ নারায়ণ বা দেবতা হয়ে যায়। এ সময় ব্যক্তিজগতের সমস্ত সাংসারিক কাজকর্ম অর্থাৎ কর্মাসক্তি ও ফলাসক্তি পরিত্যাগ করে কেবল ঈশ্বর চিন্তায়ই মগ্ন থাকেন। আশ্রয়হীন অবস্থায় মন্দিরে দেবালয়ে আশ্রয় নিতে পারেন। বেশভূষায়ও তার পরিবর্তন আসে। অতীত জীবনের সমস্ত স্মৃতি পরিহার করে এক মনে এক ধ্যানে কেবল ঈশ্বর চিন্তায় মগ্ন থাকবেন। পার্থিব জগতে সকল কিছুর মায়া ত্যাগ করে শুধু ধর্মকর্মের মাধ্যমে ঈশ্বর চিন্তা করাই হচ্ছে এ আশ্রমের একমাত্র লক্ষ্য। এ সম্পর্কে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে-

অনাশ্রিতঃ কর্মফলং কার্যং কর্ম করোতি যঃ
স সন্ন্যাসী চ যোগী চ ন নিরগ্নিন চাক্রিয়ঃ॥

অর্থাৎ কর্মফলের বাসনা না করে যিনি কর্তব্যকর্ম করেন, তিনিই সন্ন্যাসী, তিনিই যোগী। শুধু গৃহকর্ম বা শরীর ধারণের উপকরণ সংগ্রহে কর্মত্যাগই সন্ন্যাস নয়। তাকে সমস্ত মায়াময় জগতের ঊর্ধ্বে ওঠে ঈশ্বর চিন্তা করতে হয়।

5 views

Related Questions