1 Answers
উদ্দীপকে আসিফের উক্তিটি হলো ইসলামি জীবনব্যবস্থায় নৈতিকতার গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে উক্তিটি বিশ্লেষণ করা হলো-
আমরা জানি, মানুষকে ইমান ও নৈতিকতা শিক্ষা দেওয়ার জন্য মহানবি (স.) প্রেরিত হয়েছিলেন। তিনি বলেন, আমি মহান নৈতিক গুণাবলিকে পরিপূর্ণতা দান করার জন্যই প্রেরিত হয়েছি। (বুখারি)
নৈতিকতার কথা শুধু মুখে বললে চলবে না। বরং বিশ্বনবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর আদর্শসমূহ বাস্তব জীবনে প্রতিফলিত করে নৈতিকতা অর্জন করতে হবে। মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) নীতিবান লোককে পরিপূর্ণ মু'মিন হিসেবে অভিহিত করে বলেন-
أَكْمَلُ الْمُؤْمِنِينَ إِيْمَانًا أَحْسَنُهُمْ خُلُقًا
অর্থ : নৈতিকতার বিচারে যে লোকটি উত্তম মু'মিনদের মধ্যে সেই পূর্ণ ইমানের অধিকারী। (তিরমিযি)
মানুষের নৈতিকতা যত উন্নত হবে, সে তত উত্তম মানুষে পরিণত হবে। এভাবে সে আল্লাহ এবং তাঁর রাসুল (স.)-এর প্রিয়পাত্র হয়ে যাবে। মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) আরও বলেছেন, তোমাদের মধ্যে সেই লোকটিই আমার নিকট অধিক প্রিয় যার আখলাক (নৈতিকতা) সবচাইতে সুন্দর (বুখারি)। এমনিভাবে জনৈক ব্যক্তি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর নিকট জানতে চাইলেন মহান আল্লাহ মানুষকে অনেক কিছু দান করেছেন; এর মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান দান কোনটি? নবি করিম (স.) বললেন, সবচেয়ে মূল্যবান দান সুন্দর চরিত্র।