1 Answers
হ্যাঁ, রোহিত বাবু চতুরাশ্রমের গার্হস্থ্য আশ্রমে অবস্থান করছেন এবং এ আশ্রমে থেকেও জীবনকে সার্থক করা সম্ভব।
ব্রহ্মচর্য শেষে বিবাহ করে সংসারধর্ম পালন করা গার্হস্থ্য আশ্রমের অন্তর্গত। মানবজীবনের দ্বিতীয় ধাপের পঁচিশ বছরকে ধরা হয় গার্হস্থ্য আশ্রম। উদ্দীপকের রোহিত বাবুর কর্মকান্ডে প্রকাশ পায় যে তিনি চতুরাশ্রমের উক্ত স্তরেই অবস্থান করছেন। গার্হস্থ্য আশ্রমে থেকেও জীবনকে সার্থক করা সম্ভব। শাস্ত্রীয় যুগবিভাগ অনুসারে বর্তমান যুগ কলিযুগ। এ সময়ে ব্রহ্মচর্য, গার্হস্থ্য, বানপ্রস্থ ও সন্ন্যাস এ চার আশ্রমের অনুশীলন সম্ভব নয়। বর্তমানে ব্রহ্মচর্য ও বানপ্রস্থ আশ্রম নেই বললেই চলে। ব্রহ্মচর্য বর্তমানে ছাত্রজীবনে পর্যবসিত হয়েছে। গার্হস্থ্য ও সন্ন্যাস এ দুটি আশ্রম লক্ষ করা যায়। তবে গার্হস্থ্য জীবনে স্ত্রী, পুত্র, কন্যা, মাতা, পিতা এদের পরিত্যাগ করে বানপ্রস্থ ও সন্ন্যাস গ্রহণে উৎসাহিত করা হয় না। তাই কলিযুগে গার্হস্থ্য আশ্রমে থেকে জীবনযাপন করাই ভালো। এতেই মানুষের জীবন সার্থক হয় এবং কল্যাণময় হয়। অতএব উপরিউক্ত আলোচনার আলোকে বলা যায় যে, উদ্দীপকের রোহিত বাবু চতুরাশ্রমের যে স্তরে অবস্থান করছেন বা গার্হস্থ্য আশ্রমে থেকেই জীবনে সার্থকতা লাভ করা সম্ভব।