1 Answers

উদ্দীপকের বর্ণনায় আশীষ বাবু সারা জীবন সরকারি চাকরি করেছেন। অবশেষে অবসরে যাওয়ার কিছুকাল পর সব জাগতিক ধর্ম পরিত্যাগ করে কেবল ঈশ্বর চিন্তায় মগ্ন থাকেন। এমনকি তিনি আশ্রয়হীন অবস্থায় লোকালয় থেকে সংগৃহীত আহার শুধু দিনের বেলা গ্রহণ করেন, বাকি সময় অনাহারে কাটান।

হিন্দুধর্মের নিয়মানুযায়ী মানবজীবনের সর্বশেষ স্তর বা পর্যায় সন্ন্যাস জীবনের পর্যায়ে আমরা দেখতে পাই, এ পর্যায়ে মানুষ সব জাগতিক কাজকর্ম, ভোগ-লালসা ত্যাগ করে সর্বক্ষণ ঈশ্বর চিন্তায় মগ্ন থাকেন। শুধুমাত্র দুপুর বেলায় আহারের সামগ্রী লোকালয় থেকে সংগ্রহ করবেন। বাকি দুবেলা দুধ, ফল ইত্যাদি সংগ্রহ করে স্বল্প পরিমাণে আহার করবেন এবং আশ্রয়হীন অবস্থায় মন্দিরে দেবালয়ে ক্ষণকালের জন্য আশ্রয় নিবেন। পোশাক পরিচ্ছদ থাকবে নিতান্তই সাধারণ। সন্ন্যাস জীবনের এসব কার্যাবলির সাথে আশীষ বাবুর করণীয় কার্যাবলি সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই আমরা বলতে পারি, আশীষ বাবু সন্ন্যাস ধর্ম পালন করে অবশ্যই ধর্ম নির্দেশিত পথে হাঁটছেন। আর এসব কর্মের দ্বারা তার মোক্ষলাভ অনিবার্য।

5 views

Related Questions