1 Answers

হিন্দুধর্মে উপাসনার যথেষ্ট প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এ বিষয়টি পিযুষ ভট্টাচার্য উপলব্ধি করেছিলেন।

উপাসনার মাধ্যমে পিযুষ ভট্টাচার্য তার-

১. হৃদয় পরিশুদ্ধ ও পবিত্র করতে পারবে: ঈশ্বরের উপাসনা হৃদয়কে পরিশুদ্ধ ও পবিত্র করে এবং মিষ্টি অনুভূতির সৃষ্টি করে।

২ . মনের দৃঢ়তা বৃদ্ধি করতে পারবে: উপাসনা মনের দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে, মনের আবেগকে পরিশুদ্ধ, উন্নত ও নিয়ন্ত্রণ করে।

৩. ভক্তদের মনে ঈশ্বরের উপস্থিতি সৃষ্টি করতে পারবে : উপাসনা ভক্তদের ঈশ্বরের কাছাকাছি অবস্থানের সুযোগ করে দেয় এবং ধর্মীয় বিষয়ে গভীর চেতনার সৃষ্টি করে।

৪. মানসিক অবস্থার উন্নতি করতে পারবে : উপাসনা মানুষের মানসিক অবস্থার উন্নতি করে। মনের কুটিলতা দূর করে এবং মনকে শুদ্ধ করে সত্যের পথে পরিচালিত করে। উপাসনা মনের কামনা, বাসনা, তৃষ্ণা, অহমিকা-আমিত্ব, হিংসা বিদ্বেষ দূর করে।

৫. ভক্ত ও ঈশ্বরকে মুখোমুখি করতে পারবে : উপাসনার মাধ্যমে ভক্ত তার ইষ্ট দেবতাকে উপলদ্ধি করতে পারে এবং গভীর ভালোবাসার মাধ্যমে সে তাকে স্বচোখে অবলোকন করতে পারে।

৬. মোক্ষলাভ করতে পারবে : মোেক্ষ মানে চির মুক্তি। জীবাত্মাকে পুনর্জন্ম নিতে হয়। কিন্তু পুণ্য বলে জীবাত্মাকে বারবার জন্ম নিতে হয় না। জীবাত্মা পরমাত্মা বা ব্রহ্মে লীন হয়ে গেলে আর পুনর্জন্ম হয় না। একেই বলে মোক্ষ। উপাসনার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে এ মোক্ষলাভ।

উপাসনার উপরিউক্ত বিষয়াবলির কথা চিন্তা করে পীযুষ ভট্টাচার্য উপাসনার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি উপলব্ধি করেছিলেন।

4 views

Related Questions