1 Answers
জনাব শাহীন আহমেদের দ্বিতীয় পর্যায়ের সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কাজগুলো দ্বারা ব্যবসায় সুনাম অর্জনের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারবেন বলে আমি মনে করি।
সামাজিক দায়বদ্ধতায় মুনাফা অর্জনের সাথে সমাজের জন্য কিছু কল্যাণমূলক বা মঙ্গলজনক কাজ করা হয়। কারণ, সমাজ থেকেই বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পেয়ে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রতিযোগিতায় টিকে থাকে।
উদ্দীপকের জনাব শাহীন আহমেদ একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। তিনি তার কর্মচারীদের জন্য সুন্দর কাজের পরিবেশ নিশ্চিতের পাশাপাশি যথাযথ বেতন দেন। এছাড়া, তিনি উৎসব বোনাস ও বার্ষিক বনভোজনের ব্যবস্থা করেন। আবার, তিনি শীতকালে তার এলাকার দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। তিনি স্কুল-কলেজের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ রোধে একটি তহবিল গঠনেরও উদ্যোগ নেন।
জনাব শাহীন দ্বিতীয় পর্যায়ে সমাজের মানুষের প্রতি দায়িত্ব পালন করেন। দুস্থদের শীতবস্ত্র ও স্কুল-কলেজে অনুদান দেওয়ার মাধ্যমে সমাজের কিছু পক্ষ উপকৃত হয়। এর মাধ্যমে তার প্রতিষ্ঠানের সুনাম বেড়ে যায়। এতে তার পক্ষে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করা সহজ হয়। এছাড়া পরিবেশ দূষণ রোধের জন্য তহবিল গঠন ও এর প্রয়োগ পরিবেশ দূষণ কমাতে সাহায্য করবে। এতে জনগণের মাঝে জনাব শাহীনের ব্যবসায়ের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হবে। ফলে ক্রেতারা আগ্রহের সাথে তার প্রতিষ্ঠানের পণ্যসামগ্রী কিনবে। এতে করে বিক্রয় বাড়বে ও মুনাফা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। আর, এরূপ সুনাম সৃষ্টি ও জনগণের আস্থা অর্জন সম্ভব হবে জনাব শাহীনের সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কাজের মাধ্যমে এভাবেই তিনি সুবিধা পেতে পারেন।