1 Answers
ভিক্টর ও হ্যাঁপির সংসারে সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দুজনের ভূমিকাই অধিক প্রয়োজন। এর যথার্থ মূল্যায়ন হলো-
শুরুতে ঈশ্বর শুধু একজন পুরুষ ও একজন নারী সৃষ্টি করেছেন। এর অর্থ এই যে, একজন পুরুষের মাত্র একজন স্ত্রী থাকবে এক একজন নারীর একজন স্বামীই থাকবে। তারা দুজনেই ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে গড়া। এ কারণে দুজনই সমান মর্যাদার অধিকারী। ঈশ্বর, মানুষকে সৃষ্টি করেছেন ষষ্ঠ দিনে, সব সৃষ্টি সমাপ্ত করার পর। এর অর্থ হলো, মানুষ ঈশ্বরের সৃষ্ট জীব। সে ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে গড়া হলেও ঈশ্বরের সৃষ্টিকর্মে তার কোনো হাত নেই। নিজের প্রতিমূর্তিতে গড়ে তাকে তিনি দায়িত্ব দিয়েছেন সৃষ্টিকে দেখাশুনা করার।
সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষকে ঈশ্বর তার আপন প্রতিমূর্তিতে, আপন সাদৃশ্যে এবং পুরুষ ও নারী করে সৃষ্টি করেছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি প্রতিটি মানুষকে স্ব-স্ব মর্যাদা ও সম্মান দান করেছেন। তাই পুরুষ ও নারীর মধ্যে কোনো ধরনের ভেদাভেদ বা পার্থক্য থাকতে পারে না। তারা সম্মান ও মর্যাদার দিক দিয়ে প্রত্যেকে সমান। তবে শারীরিক গঠন ও মানসিক ধ্যানধারণা বা চিন্তাধারার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে, যা আমরা প্রত্যেকেই জানি ও স্বীকার করি। এ ভিন্নতা সৃষ্টিকে আরও সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে, মানুষকে করে তুলেছে পরস্পরের পরিপূরক বা সহায়ক। তাই ভিক্টর ও হ্যাপির সংসারে সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দুজনের ভূমিকাই প্রয়োজন।
মূলকথা: নারী-পুরুষের পারস্পরিক সহযোগিতা।