1 Answers
বিমল ও শিশিরের মধ্যে বিশ্বস্ত বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। আর এ ধরনের সম্পর্কের গুরুত্ব অপরিসীম। বিমলু ধনী পিতার সন্তান হওয়ায় তার কাছে অনেক সুসময়ের বন্ধুর আগমন ঘটে। যার ফলে বিমলের অনেক অর্থের অপচয় হয়, তার পড়াশোনায় অনেক ক্ষতি হয়। শিশির বিমলের এ সব বন্ধুর মনোভাব বুঝতে পারে। তাই সে বিমলকে তার ঐসব বনধুর সাথে মেলামেশার ব্যাপারে সচেতন হতে পরামর্শ দেয়। এছাড়া বিমলের নিঃসঙ্গতা দূর করার জন্য তাকে সঙ্গ দেয়। এর ফলে বিমল ও শিশিরের মাঝে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং উভয়ের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি পায়। বিমল বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পায়। ফলে সে শিশিরের মতো বিশ্বস্ত বন্ধুকে কাছে পেয়ে খুশি হয়।
শিশিরের সাথে বিমলের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠায় বিমল তার জীবনের নতুনত্ব খুঁজে পায়। তাদের এই বন্ধুত্ব তাদের জীবন বিকাশে সাহায্য করে। বিমল উপলদ্ধি করতে পারে তার নিজ জীবনের মূল্য ও শক্তি। তাছাড়া তারা উভয়েই পরস্পরের কাছ থেকে লাভ করে সুপরামর্শ ও সঠিক দিকনির্দেশনা। তারা যেমন নিজেকে চিনতে ও জানতে শেখে, তেমনি অপরকেও জানতে শেখে। জীবনপথের ঘাত প্রতিঘাতে এগিয়ে চলার প্রেরণা লাভ করে। সুতরাং বলা যায়, বিমল ও শিশিরের বন্ধুত্ব তাদের জীবনকে উন্নতির পথে পরিচালিত করতে সহায়তা করে।
মূলকথা: বিশ্বস্ত বন্ধুত্ব জীবনকে সার্থক করে তুলতে সহযোগিতা করে।