1 Answers
জনাব কালামের কার্যক্রমে ফুটে ওঠা খলিফা হলেন হযরত উসমান (রা.)।
উদ্দীপকের কালাম এলাকার বটমূলে একটি বিশ্রামাগার, একটি মসজিদ ও একটি মন্দির নির্মাণ করেন। এছাড়া তিনি কারবালার কাহিনির ওপর লেখা পুথিমালার একশত কপি প্রিন্ট করে বিভিন্ন জেলায় পাঠিয়ে দেন। কালামের এসব কাজে মানবসেবার পরিচয় পাওয়া যায়।
হযরত উসমান (রা.) আরবদের শ্রেষ্ঠ ধনীদের একজন ছিলেন। ৩৪ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণের পর তাঁর সম্পদ অকাতরে মানবসেবা ও ইসলামের জন্য ব্যয় করেছেন। তিনি মদিনাবাসীর পানির অভাব দূর করার জন্য ১৮০০০ স্বর্ণমুদ্রা দিয়ে একটি কূপ কিনে তা ওয়াক্ত করে দেন। মদিনায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে প্রচুর খাবার বিতরণ করেন। ব্যক্তিগত খরচে মসজিদে নবির সম্প্রসারণ করেন। তাবুক যুদ্ধে ১০০০০ হাজার মুজাহিদের ব্যয়ভার একা বহন করেন এবং এক হাজার উট দান করেন। এমনিভাবে হযরত উসমান (রা.) তাঁর দানের হস্ত সর্বদা উন্মুক্ত রাখেন। এছাড়া তিনি আল কুরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের জন্য পবিত্র কুরআনের সাতটি কপি করে ৭টি প্রদেশে প্রেরণ করেন।
তাই বলা যায়, হযরত উসমান (রা.) ও কালামের কর্মকান্ডে মানবসেবা বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়। অর্থাৎ তারা উভয়েই মানবকল্যাণে কাজ করেছেন।