1 Answers
উদ্দীপকে 'উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন' প্রবন্ধের ফুটে ওঠা দিকটি হলো সাম্যের ভাব।
পৃথিবীজুড়ে নানা ধর্ম-বর্ণ ও জাতি-গোষ্ঠীর মানুষ বাস করে। আচার-সংস্কৃতিতেও তাদের মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে। অথচ তারা সবাই একই চন্দ্র-সূর্যের আলোয় আলোকিত। একই রকম রক্ত তাদের শরীরে প্রবাহিত। তাই ধনী-দরিদ্র, সাদা-কালো, ধর্ম-বর্ণ দিয়ে মানুষে মানুষে পার্থক্য করা উচিত নয়।
উদ্দীপকে মানুষে মানুষে সাম্য ও মৈত্রীর গভীর বন্ধনের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। সাম্যবাদের দৃষ্টিতে পৃথিবীর সব মানুষ সমান। কে ধনী আর কে গরিব সে বিচার-বিবেচনা এখানে গৌণ। মুখ্য হচ্ছে সে মানুষ। মানুষ বিবেচনায় চাকর-মনিবের ভেদাভেদ নেই। মানুষ হিসেবে স্রষ্টার কাছে রাজা-প্রজা সবার মর্যাদা সমান। উদ্দীপকে প্রতিফলিত এই বিষয়টি 'উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন' প্রবন্ধে প্রতিফলিত সাম্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। সেখানেও লেখক উপেক্ষিত দশ আনা শক্তির সঙ্গে সমাজের উঁচু শ্রেণির বিভেদের দেওয়াল ভেঙে তাদের উদ্দ্বাধন ঘটাতে চেয়েছেন। যারা তাদের 'ছোটলোক' বলে দূরে সরিয়ে রাখে তারা সাম্যবাদী মনোভাবের অধিকারী নয়। কবি মনে করেন, তথাকথিত উঁচু শ্রেণির লোকদের বোধ জাগিয়ে তুলে সমাজের অগ্রগতি ও জাতীয় উন্নতির জন্য এ উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন জরুরি।