1 Answers
উদ্দীপকে ফুটে ওঠা গুণটির বাইরে মহানবি (স.)-এর আরও গুণের সমাবেশ পঠিত প্রবন্ধে রয়েছে। বক্তব্যটি যথার্থ।
এই পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের মানুষ বাস করে। যেমন রয়েছে স্বার্থপর, অহংকারী মানুষ তেমনই রয়েছে মহৎ, বিনয়ী, নম্র ও নিরহংকারী মানুষ। তাঁদের জন্য পৃথিবী, সমাজ ও সংসার হয় সুন্দর।
উদ্দীপকে চুরির কথা স্বীকার করায় চাকর শহিদুলকে রজব আলি ক্ষমা করে দিয়ে ক্ষমার মহত্ত্ব স্থাপন করেন। 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধেও আমরা হযরত মুহম্মদ (স.)-এর অসাধারণ ক্ষমাশীলতার কথা জানতে পারি। কিন্তু এই একটিমাত্র গুণের কথা ছাড়াও আলোচ্য প্রবন্ধে মহানবি (স.)-এর আরও মহৎ গুণাবলি যেমন- মানবপ্রেম, সত্যনিষ্ঠা, দয়া, পরোপকারিতা ইত্যাদি প্রকাশ পেয়েছে।
উদ্দীপকে রজব আলি শহিদুলকে ক্ষমা করে ক্ষমার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন, যা মহানবি (স.)-এর একটি গুণের প্রকাশ ঘটায়। অন্যদিকে আলোচ্য প্রবন্ধে মহানবি (স.)-এর আরও অনেক গুণের সমাবেশ ঘটেছে, যা উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত বক্তব্যটি যথার্থ।