1 Answers
উদ্দীপকের কৈলাস সত্যার্থী 'মানুষ' কবিতার মোল্লা-পুরোহিত চরিত্রের বিপরীত।
মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক চিরন্তন। স্বার্থপর মানুষ নিজের স্বার্থে অন্যকে ব্যবহার করে এবং বৈষম্য তৈরি করে। তাদের দ্বারা মানবকল্যাণ সাধিত হয় না। মানবকল্যাণে যুগে যুগে নিঃস্বার্থ মানসেবীরাই এগিয়ে এসেছেন। তাঁরা জগতের স্মরণীয় ও বরণীয় ব্যক্তিত্ব।
'মানুষ' কবিতায় কবি ধর্মের মুখোশ পরে যারা মানবতার চরম অপমান করছে তাদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন। মুখোশধারী স্বার্থপর মানুষদের কাছে অসহায় মানুষের জীবন মূল্যহীন। আত্মস্বার্থই তাদের কাছে একমাত্র সত্য। উদ্দীপকের কৈলাস সত্যার্থী এ ধরনের স্বার্থান্ধ মানুষের ঠিক বিপরীত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। মানুষের সুখ-দুঃখের সমব্যথী হওয়া তাঁর কাছে নিজ স্বার্থের উর্ধ্বে মানবসেবা। এ কারণেই তিনি অবহেলিত শিশুদের রক্ষায় এগিয়ে আসেন। অনেক অবহেলিত শিশু জীবনের মূল স্রোতে ফিরে আসে তাঁর প্রচেষ্টায়। এই কাজে বাধা এলেও তিনি হাল ছাড়েননি। অন্যদিকে 'মানুষ' কবিতার মোল্লা-পুরোহিতরা কেবল আপন স্বার্থচিন্তায় ব্যস্ত। এখানেই তাদের সঙ্গে উদ্দীপকের কৈলাস সত্যার্থীর পার্থক্য।