1 Answers
শিহাবের দুশ্চরিত্রের কথা জানতে পেরে শিহাবের উদ্দেশ্যে যা বলেছেন, তা যথার্থ বলে আমি মনে করি। কারণ আত্মশুদ্ধিই আসলে মানুষকে বিকশিত করে, সফলতা দান করে। ইহজীবনে আত্মশুদ্ধিই মানুষকে পূর্ণাঙ্গ মানুষে পরিণত করে। এরূপ মানুষ সব ধরনের খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকে, ফলে সে সমাজে সকলের শ্রদ্ধা ও ভালবাসা লাভ করে। যে ব্যক্তি আত্মশুদ্ধি অর্জন করতে ব্যর্থ সে দুর্ভাগা। সে কখনোই সফলতা লাভ করতে পারে না। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “নিশ্চয় যে ব্যক্তি আত্মাকে পুতঃপবিত্র রাখল সেই সফলকাম, আর সে ব্যক্তিই ব্যর্থ হবে যে নিজেকে কলুষিত করবে।” (সূরা আশ্-শামস: ৯-১০) পরকালীন জীবনের সফলতা ও মুক্তি আত্মশুদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। যে ব্যক্তি দুনিয়াতে নিজ আত্মাকে পবিত্র রাখবে সেই মুক্তি লাভ করবে তার পুরস্কার হবে জান্নাত। আল্লাহ তায়ালা বলেন, সে দিন ধন সম্পদ কিংবা সন্তান-সন্ততি কোনো কাজে আসবে না। বরং সেদিন সে ব্যক্তিই মুক্তি পাবে যে আল্লাহর নিকট বিশুদ্ধ অন্তকরণ নিয়ে আসরে। উপরে উল্লিখিত কুরআনের আয়াতদ্বয় পাঠে প্রমাণিত হলো যে, শিহাবের মামার বক্তব্য যথার্থ। শিহাবের নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্য আত্মশুদ্ধির প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।