1 Answers
উদ্দীপকটি পাঠ করে আমরা জানতে পারি যে, চাকরি, ব্যবসায় কিংবা সামাজিক কাজে নারীদের অংশগ্রহণ রিফাতের পছন্দ নয়। রিফাতের এরূপ মনোভাব নারী জাতির মর্যাদা রক্ষা/ প্রতিষ্ঠার পরিপন্থি। অন্যভাবে বলা যায়, রিফাতের এরূপ মনোভাব সেকেলে এবং ইসলামি রীতিনীতি বিরূদ্ধ, যা অজ্ঞতার শামিল।
কুরআন ও হাদিস বিশ্লেষণ করে প্রমাণিত হয় যে, বিপন্নকে আশ্রয়দান, প্রয়োজনে ঘর থেকে নিজ আব্রু (পর্দা) রক্ষা করে বাইরে গমন, মসজিদে জামাআতে শামিল, সমাজ কল্যাণমূলক কাজ, ব্যবসায় বাণিজ্য পরিচালনা, জিহাদে অংশগ্রহণ প্রভৃতি কাজে পুরুষের ন্যায় নারীরা অংশগ্রহণের অধিকার রাখে। শালীনতা বজায় রেখে যেকোনো বৈধ কাজ তারা করতে পারে। তবে অবশ্যই নারীদের পর্দা রক্ষা করে কাজ করতে হবে।
অতএব আমরা বলতে পারি যে, রিফাতের মনোভাব নারী জাতির মর্যাদা রক্ষার পরিপন্থি। এরূপ মনোভাবের মাধ্যমে নারী জাতিকে হেয় করে দেখা হয়েছে। রিফাতের ন্যায় মুসলিম সমাজের বিভিন্ন অংশে এমনটি দেখা যায়। যা আমাদের অজ্ঞতা ছাড়া অন্য কিছু নয়ন মুসলিম জাতিকে আজ তাদের হারানো ঐতিহ্য ফিরে পেতে হলে নারী জাতিকে মূল্যায়ন করতে হবে এবং তাদের সমর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তবে অবশ্যই ইসলামি রীতিনীতি মেনে চলেই তা করতে হবে।