1 Answers

ইসলামের দৃষ্টিতে জামি একজন প্রতারক। কারণ সে মালে ভেজাল দিয়ে বিক্রি করে, ওজনে কম দেয়। প্রতারণা করা হারাম। প্রতারণা নিন্দনীয় চরিত্রের মধ্যে অন্যতম একটি। ফাঁকি দেওয়া, বিশ্বাস ভঙ্গ করা, ভেজাল দেওয়া, পণ্যদ্রব্যের দোষ গোপন করা, জাল মুদ্রা চালিয়ে দেওয়া, ওজনে কম দেওয়া, বেশি দামের জিনিসের সাথে কম দামের জিনিস মিশিয়ে দেওয়া, গাভী বিক্রির আগে স্তনে দুধ আটকে রাখা, মিথ্যা হলফ করে অন্যের হক নষ্ট করা এসবই প্রতারণার শামিল। ব্যবসায় বাণিজ্য ছাড়াও মানুষ অন্যান্য আর্থসামাজিক কাজেও প্রতারণা করে থাকে। প্রতারণা মিথ্যারই শামিল। মিথ্যা যেমন ঘৃণ্য, প্রতারণাও তেমনি ঘৃণ্য। এটি একটি সমাজদ্রোহী পাপ।

এ সম্বন্ধে মহানবি (স.) বলেন- مَنْ غَشَ فَلَيْسَ مِنَّا

অর্থাৎ “যে ব্যক্তি প্রতারণা করে, সে আমাদের (মুসলমানদের) সমাজভুক্ত নয়।” এ হাদিসের আলোকে প্রতীয়মান হয়, জামি ইসলামি সমাজ থেকে বহিষ্কৃত একজন মানুষ।

অন্যদিকে, প্রতারণা করা মুনাফিকদের স্বভাব। আর মুনাফিকদের স্থান জাহান্নামের নিম্নতম স্তরে। প্রতারণাকারীর প্রতি যেমন আল্লাহর অভিশাপ, তেমনি সমাজেও তার কোনো সম্মানের স্থান নেই। তাকে কেউ বিশ্বাস করে না, ভালোবাসে না। প্রতারণা তাকওয়াপূর্ণ ইসলামি জীবনযাপনের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। তাই জামিকে মুনাফিক হিসেবেও চিহ্নিত করা যায়।

7 views

Related Questions