1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত মাসআলাটি দ্বারা প্রমাণিত হয়, ইসলাম একটি গতিশীল জীবনব্যবস্থা। মানবসমাজ গতিশীল। ইসলামি সমাজও এ ধারার ব্যতিক্রম নয়। মহানবি (স.)-এর সময় হতে এবং পরবর্তীতে মুসলিম সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ও ইসলামের প্রসারের সাথে সাথে রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে মুসলিম সমাজ এমন কতকগুলো নতুন সমস্যার সম্মুখীন হয়, যার সুস্পষ্ট নির্দেশ কুরআন ও হাদিসে পাওয়া যেত না। অথচ কুরআনে আল্লাহ মানুষের জন্য সবকিছু বর্ণনা করে দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, "আমি কুরআনে কোনোকিছু বাদ রাখিনি।”

কিন্তু মানবজ্ঞান সসীম। তাই তাদের সীমিত জ্ঞান-গবেষণায় কুরআন থেকে যাবতীয় সমস্যার সমাধান আহরণ করতে সক্ষম হয়নি। সুতরাং সাহাবিদের যুগ হতেই কুরআন-হাদিস থেকে না পাওয়া বিষয় ইজমার দ্বারা (মুসলিম পণ্ডিতগণের সম্মিলিত অভিমত) সমাধান করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। আধুনিক সমাজ তৎকালীন সমাজ থেকে অনেক দূর এগিয়েছে। এ গতিশীল সমাজের অনেক সমস্যার সমাধান উদ্ধৃত অংশে উল্লিখিত পদ্ধতি বা ইজমা দ্বারা সম্পন্ন করা হচ্ছে। সালাতরত অবস্থায় মোবাইল ফোন বেজে উঠলে কী করতে হবে তা মুজাহিদগণ ঠিক করে দিয়েছেন, যা উদ্দীপকের ইমামের বক্তব্যে পরিলক্ষিত হয়। আর এর নামই ইজমা।

সুতরাং দেখা গেল, ইজমা দ্বারা নতুন সমস্যার সমাধান করা হয়। ইসলামে যদি এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার 'সুযোগ না থাকত তাহলে ইসলামকে গতিশীল ও পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা বলা যেত না। তাই ইসলামের উক্ত পদ্ধতি প্রমাণ করেছে, ইসলাম অবশ্যই একটি গতিশীল জীবনব্যবস্থা।

5 views

Related Questions