1 Answers
আবির সবসময় অন্যায় ও পাপকাজে লিপ্ত। সূরা আত-তীনে এর জন্য লাঞ্ছনা-অপমান ঘোষিত হয়েছে। এ সূরায় আল্লাহ ইরশাদ করেন- 'এরপর আমি তাকে নামিয়ে দিয়েছি সর্বনিম্ন স্তরে। কিন্তু তারা ব্যতীত যারা ইমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে। তাদের জন্য তো রয়েছে অশেষ পুরস্কার।"
এ সুরায় প্রথম তিনটি আয়াতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের শপথ করে আল্লাহ তায়ালা মানুষের আকৃতি ও প্রকৃতি সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ তায়ালা মানুষকে অত্যন্ত সুন্দর সৃষ্টি হিসেবে ঘোষণা করেন। সৃষ্টিজগতের মধ্যে মানুষের আকৃতিই সবচেয়ে সুন্দর। তবে মানুষ যদি ভালো কাজ না করে অসৎ কাজে লিপ্ত হয় তাহলে আল্লাহ তায়ালা দুনিয়া ও আখিরাতে তাকে লাঞ্ছিত- অপমানিত করেন। তাকে শাস্তি প্রদান করেন।
এ সূরার শেষাংশে আল্লাহ তায়ালা পরকাল সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। এ সূরায় সৎকর্মশীল ও পুণ্যবানগণের জন্য পরকালে জান্নাতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, পরকালে আল্লাহ তায়ালা মানুষের সকল কাজের হিসাব নেওয়ার জন্য একত্র করবেন। এদিন হবে প্রতিফল দিবস বা শেষ বিচারের দিন। আল্লাহ তায়ালা হবেন সেদিনের একমাত্র বিচারক। তিনিই সর্বোত্তম ন্যায়বিচারক। মানুষের দুনিয়ার কৃতকর্মের জন্য তিনি পুরস্কার ও শাস্তি প্রদান করবেন। আবির যদি সূরা আত-তীনের শিক্ষাগুলো মেনে না চলে তাহলে তাকে পরকালের মহাবিচারক আল্লাহ তায়ালা পাকড়াও করবেন।