1 Answers

রাসেলের অর্জিত আয় শরিয়তের আলোকে হালাল। আল্লাহ তায়ালা সকল কিছুর স্রষ্টা। তিনিই সবচেয়ে ভালো জানেন কোনটা উপকারী ও কোনটা অপকারী। যেসব দ্রব্য ও বিষয় মানুষের জন্য - কল্যাণকর আল্লাহ তায়ালা তা হালাল করে দিয়েছেন। 

তিনি বলেন- 

يَأَيُّهَا النَّاسُ كُلُوا مِمَّا فِي الْأَرْضِ حَلَلًا طَيِّبًا

অর্থ : "হে মানবজাতি! তোমরা পৃথিবীর হালাল ও পবিত্র বস্তু আহার কর।" (সূরা আল-বাকারা: ১৬৮) হালাল বস্তু গ্রহণ করার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহ তায়ালার নিয়ামত গ্রহণ করে এবং সর্বোচ্চ কল্যাণপ্রাপ্ত হয়।

উদ্দীপকের রাসেল প্রাইভেট ফার্মে চাকরি করে নির্ধারিত বেতনে কোনো রকমে সংসার চালান। যা ইসলামি শরিয়তে হালাল হিসেবে পরিগণিত। আর হালাল দ্রব্য মানুষকে ইবাদতে উৎসাহিত করে। মানুষ অধিক পরিমাণে আল্লাহ তায়ালার ইবাদত করতে পারে। 

আল-কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন-

يَأَيُّهَا الرُّسُلُ كُلُوا مِنَ الطَّيِّبَاتِ وَاعْمَلُوا صَالِحًا 

অর্থ : “হে রাসুলগণ! তোমরা পবিত্র বস্তু থেকে আহার কর এবং সৎকাজ কর।” (সূরা আল-মুমিনুন: ৫১) হালাল ও পবিত্র দ্রব্য মানুষের দেহ ও মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখে। অন্তরে নূর সৃষ্টি করে। ফলে মানুষ অন্যায় ও অসৎ চরিত্রকে ঘৃণা করতে থাকে। মানুষ সৎগুণাবলি সম্পন্ন হয়ে গড়ে ওঠে। বস্তুত হালাল খাদ্য মানুষের মধ্যে পবিত্র ভাব ও আত্মশুদ্ধির উদ্রেক করে। ফরে মানুষ দুনিয়া ও এ আখিরাতে প্রভূত কল্যাণপ্রাপ্ত হয়।

4 views

Related Questions